ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের আবেদন শুরু হচ্ছে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর—যারা প্রথম ধাপে আবেদন করেনি বা কলেজ পায়নি, তাদের জন্য এটাই বড় সুযোগ। এদিকে ফাতেহা-ই-ইয়াজদহমের ছুটি ২৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করায় একাদশের ক্লাস শুরু এক দিন পিছিয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর হয়েছে। স্কুলে দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতেও লটারিতে ভর্তির প্রস্তাব, কওমি মাদ্রাসায় শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনের তারিখ ঘোষণা, ইউজিসির ক্রস-বর্ডার উচ্চশিক্ষা নীতিমালা—সব মিলিয়ে আজকের শিক্ষাঙ্গন বেশ সরগরম। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউনেস্কোর ডিজিটাল লার্নিং উইকে এআই যুগে শিক্ষা নিয়ে যৌথ মন্ত্রী পর্যায়ের ঘোষণা গৃহীত হয়েছে।
একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের আবেদন ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে, ফল ১ অক্টোবর
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবার দ্বিতীয় ধাপে অনলাইনে আবেদন নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৭ সেপ্টেম্বর (রোববার) থেকে আবেদন শুরু হয়ে চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর (সোমবার) রাত ৮টা পর্যন্ত। নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ হবে ১ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাত ৮টায়, আর ৩ অক্টোবর (শনিবার) রাত ৮টার মধ্যে নিশ্চায়ন করতে হবে—না করলে নির্বাচন ও আবেদন দুটোই বাতিল হবে। দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল ৪ অক্টোবর রাত ৮টায় প্রকাশ হবে এবং কলেজে ভর্তি চলবে ৫ থেকে ৭ অক্টোবর। যারা আগে আবেদন করেনি বা করেও কলেজ পায়নি, যারা মনোনয়ন পেয়েও নিশ্চায়ন বা ভর্তি করতে পারেনি, এবং যারা ভুল কোটার কারণে ভর্তি হতে পারেনি—তারা সবাই এবার আবেদন করতে পারবে। প্রথম ধাপে আবেদন করেও কলেজ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের নতুন করে ২২০ টাকা আবেদন ফি দিতে হবে না।
ফাতেহা-ই-ইয়াজদহমের ছুটি ২৩ সেপ্টেম্বর, একাদশের ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনে স্কুল-কলেজের ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা সংশোধন করে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদহমের ছুটি ২৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করেছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে গত ২০ মে জারি করা তালিকার আংশিক সংশোধন করা হয়েছে; আগে এই ছুটি ২৪ সেপ্টেম্বর ছিল। এর জেরে বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরুর তারিখও এক দিন পিছিয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর করেছে—আগে ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরুর কথা ছিল। একই কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের ডিগ্রি (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স প্রথম বর্ষের ২৩ সেপ্টেম্বরের পরীক্ষাও এক দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতেও লটারিতে ভর্তির প্রস্তাব, ষষ্ঠ-নবমে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা
সরকারি-বেসরকারি সব স্কুলে দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তিতেও লটারি পদ্ধতি রাখার চিন্তা করছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তৈরি ‘শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৬’-এর খসড়ায় এই প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা শিগগিরই মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। খসড়া অনুযায়ী ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য দুই ঘণ্টার ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে—বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ ও গণিতে ৪০ নম্বর। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষাবর্ষের ১ জানুয়ারিতে বয়স সর্বনিম্ন ৫ ও সর্বোচ্চ ৭ বছর হতে হবে, আর প্রতি শ্রেণিতে শিক্ষার্থী থাকবে ৫৫ জন। মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জানান, যাচাই-বাছাই শেষে মন্ত্রণালয়ই নীতিমালা চূড়ান্ত করবে। উল্লেখ্য, গত ১৬ মার্চ শিক্ষামন্ত্রী লটারি পদ্ধতি বাতিলের ঘোষণা দিলেও শিশুদের ওপর চাপ ও কোচিং-নির্ভরতা বাড়ার আশঙ্কায় শিক্ষাবিদরা উদ্বেগ জানিয়েছিলেন।
এসএসসি পাস করেও একাদশে আবেদন করেনি প্রায় ৩ লাখ ১০ হাজার শিক্ষার্থী
চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৯৫ জন পাস করলেও একাদশে ভর্তির জন্য আবেদন করেছে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৭১৮ জন। অর্থাৎ প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার ৯৭৭ জন—মোট পাস করা শিক্ষার্থীর প্রায় ২৭ শতাংশ—ভর্তি প্রক্রিয়ার বাইরে রয়ে গেছে। জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৬৩ জনের মধ্যেও ১১ হাজার ৫৩৫ জন আবেদন করেনি। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ মিলিয়ে ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪১ জনের কলেজ নিশ্চিত হয়েছে, মাইগ্রেশনে ৫৬ হাজার ৮০৪ জন পছন্দের কলেজে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে, আর আবেদন করেও ১৪ হাজার ১৪ জন কোনো কলেজ পায়নি—এদের মধ্যে ২ হাজার ২০৫ জন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী। দেশের ৮ হাজার ১৮১টি কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশে মোট আসন ২৬ লাখ ১ হাজার ৭৭৯টি, ফলে এবারও বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকছে।
কওমি মাদ্রাসায় শারীরিক শাস্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, প্রতিটি মাদ্রাসায় সুরক্ষা কমিটি
কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ শিক্ষা বোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ ছাত্রছাত্রীদের ওপর সব ধরনের শারীরিক শাস্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসানের নির্দেশে জারি করা নির্দেশনায় লাঠি-বেত দিয়ে আঘাত, মুখমণ্ডল-মাথায় আঘাত, প্রকাশ্যে অপমান বা গালমন্দ—সবই নিষিদ্ধ করা হয়েছে; লঙ্ঘনকারী শিক্ষককে শরীয়ত ও প্রচলিত বিধি দুই দিক থেকেই জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। দেশের ছয়টি কওমি বোর্ড ও তাদের অধিভুক্ত সব মাদ্রাসায় অবিলম্বে ছাত্র-ছাত্রী সুরক্ষা কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাদের সাত দিনের মধ্যে যেকোনো অভিযোগের তদন্ত শেষ করতে হবে। কমিটি না থাকলে বা অভিযোগ পেয়েও ব্যবস্থা না নিলে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার ইলহাক স্থগিত বা বাতিল হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। প্রতিটি বোর্ডকে আলাদা মনিটরিং সেল ও হটলাইন চালু করতেও বলা হয়েছে; কেন্দ্রীয় হটলাইন নম্বর ০১৭০০-৭৬৩১৭৮ (হোয়াটসঅ্যাপ)।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি, দাফতরিক কাজ হচ্ছে পেপারলেস
প্রায় ১০ বছর পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন হতে যাচ্ছে ২০২৭ সালের ২৩ জানুয়ারি। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে এই তারিখ ঠিক হয়েছে; কোন কোন ব্যাচ অংশ নিতে পারবে, কতজন নিবন্ধন করতে পারবে আর অনুষ্ঠান কোথায় হবে—তা পরে জানানো হবে। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবর্তনে উপস্থিত থাকতে সম্মতি দিয়েছেন। প্রথম সমাবর্তন হয়েছিল ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি, যেখানে ৪ হাজার ৯৩২ জন গ্র্যাজুয়েট অংশ নেন। উপাচার্য আরও জানান, আগামী তিন মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাফতরিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ পেপারলেস করা হবে। একই দিনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও জানিয়েছে, তাদের দ্বিতীয় সমাবর্তন হবে আগামী বছরের ৩০ জানুয়ারি।
বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ক্যাম্পাসের পথ খুলছে, ‘ক্রস-বর্ডার হায়ার এডুকেশন’ নীতিমালা করছে ইউজিসি
উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণে ‘ক্রস-বর্ডার হায়ার এডুকেশন নীতিমালা’ প্রণয়ন করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ জানান, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও মানসম্পন্ন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বাংলাদেশে শাখা ক্যাম্পাস বা স্টাডি সেন্টার চালানোর সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি দেশের যোগ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও বিদেশে শাখা খোলার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে শিক্ষার মান, সুশাসন ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, যোগ্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে খুব শিগগির পিএইচডি প্রোগ্রাম চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে এবং এআই, ডেটা সায়েন্স, সাইবার সিকিউরিটি, রোবোটিকস ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো উদীয়মান বিষয়ে প্রোগ্রাম চালুকে উৎসাহিত করা হবে।
ইআইআইএন-বিহীন কারিগরি প্রতিষ্ঠানকে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদনের নির্দেশ ব্যানবেইসের
ইআইআইএন (এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) নেই এমন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করে ইআইআইএন নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)। ব্যানবেইস ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন ৫ হাজার ৮৫৭টি প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন না থাকায় সেগুলো নিয়মিত শিক্ষা জরিপে তথ্য দিতে পারছে না, ফলে বোর্ড ও ব্যানবেইসের তথ্যে অসঙ্গতি তৈরি হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যানবেইসের ওয়েবসাইটের ‘অনলাইন EIIN’ অপশনে আবেদন করতে হবে এবং ১ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া বার্ষিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জরিপে অংশ নিতে হবে।
রাজশাহী স্টেশনে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধর, রেলের চার কর্মী বরখাস্ত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের (২০২২-২৩ সেশন) শিক্ষার্থী আইয়ুব আলী রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে চাচা-চাচিকে আনতে রাজশাহী রেলস্টেশনে গেলে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের হাতে মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ উঠেছে। ইংরেজি বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মীদের বাগ্বিতণ্ডায় আইয়ুব এগিয়ে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। রাত ১১টার দিকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা রেললাইনে অবস্থান নিয়ে আগুন জ্বালান এবং স্টেশনে ভাঙচুর চালান। রাজশাহীর বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপকের দপ্তর ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মো. আরিফ হোসেন, মো. রোকন উদ্দিন, মো. শফিকুল ইসলাম ও মো. শাহাদাত হোসেন—এই চার কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। রাবির প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান জানান, মাথায় আঘাত পাওয়া আইয়ুবকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
ইউনেস্কোর ডিজিটাল লার্নিং উইক: এআই যুগে শিক্ষা নিয়ে ২৫-এর বেশি দেশের মন্ত্রীদের যৌথ ঘোষণা
প্যারিসে ইউনেস্কো সদর দপ্তরে ৮ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক ২০২৬’-এ এআই যুগে শিক্ষাকে ‘কমন গুড’ বা সর্বজনীন কল্যাণ হিসেবে টিকিয়ে রাখার বিষয়ে ২৫-এর বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী একটি যৌথ ঘোষণা গ্রহণ করেছেন। ‘Education in the age of AI: Facts | Frictions | Frontiers’ শিরোনামের এই আয়োজনে সরাসরি ১ হাজারের বেশি এবং অনলাইনে আরও হাজারো অংশগ্রহণকারী যুক্ত হন। ইউনেস্কো এ উপলক্ষে এআই নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, ক্রয়নীতি, খরচের মডেল ও বয়স-উপযোগিতা নিয়ে একগুচ্ছ পলিসি ব্রিফ প্রকাশ করেছে এবং উচ্চশিক্ষায় এআই প্রবণতা নিয়ে ইউনেস্কো চেয়ারদের বার্ষিক জরিপের নতুন তথ্য তুলে ধরেছে। ইউনেস্কোর অবস্থান স্পষ্ট—শিক্ষকরা এআই ব্যবহার করবেন নিজেদের পেশাগত বিচারবুদ্ধিকে সহায়তা করতে, প্রতিস্থাপন করতে নয়।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, আজকের পত্রিকা, ঢাকা পোস্ট, বাংলা ট্রিবিউন, দ্য ডেইলি স্টার, ইউনেস্কো।
KholaBoi শিক্ষা, পরীক্ষা ও ক্যারিয়ার নিয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা তথ্যভান্ডার